ভাবগত দিক থেকে বাক্যকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়- (১) বিবৃতিমূলক, (২) জিজ্ঞাসাবোধক, (৩) বিস্ময়বোধক ও (৪) অনুজ্ঞাবাচক।
১) বিবৃতিমূলক বাক্য : যে-বাক্যে কোনো কিছু বিবৃত করা হয়, তাকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে। যেমন-রাস্তা বড় বিপদসংকুল। সকালে আমরা শহর দেখতে বের হলাম। আকাশ বর্ণহীন গ্যাসে ভরা। বিবৃতিমূলক বাক্য আবার দু-প্রকার- (ক) হাঁ-বোধক বাক্য ও (খ) না-বোধক বাক্য।
ক) হাঁ-বোধক বাক্য : যে-বাক্য দ্বারা হাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে হাঁ-বোধক বাক্য বলে। যেমন-সোমা বই পড়ে। রাহাত ফুটবল খেলে। সানজিদা গান গায়।
খ) না-বোধক বাক্য : যে-বাক্য দ্বারা না-সূচক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে না-বোধক বাক্য বলে। যেমন-টুম্পা সিনেমা দেখবে না। আমরা আজ মাঠে যাইনি। এ-গ্রামে একজন ডাক্তারও নেই।
২. জিজ্ঞাসাবোধক বাক্য : সংবাদ পাওয়ার জন্য শ্রোতাকে লক্ষ্য করে যে-বাক্য বলা হয়, তাকে জিজ্ঞাসাবোধক বাক্য বা প্রশ্নবাক্য বলে। যেমন- আজ কি তোমার স্কুল খোলা? আপনি চা খাবেন কি? তুমি কী ভাবছ?
৩. বিস্ময়বোধক বাক্য: এ-ধরনের বাক্যে বিস্ময়, উচ্ছ্বাস ইত্যাদি আকস্মিক ও প্রবল আবেগ প্রকাশ পায়। যেমন- বাপ রে! কী প্রচণ্ড গরম! লোকটার কী সাহস!
৪. অনুজ্ঞাবাচক বাক্য যে-ধরনের বাক্যে অনুরোধ, আদেশ, প্রার্থনা, আশীর্বাদ, মিনতি ইত্যাদি প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য বা অনুজ্ঞা বাক্য বলে। যেমন- বইটি আমাকে পড়তে দাও না! তুমি ক্লাসে কথা বলবে না। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। আল্লাহ্ তোমার মঙ্গল করুন। কাল আসতে ভুল করবে না কিন্তু!
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more